বাধন রায়,ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

দেশের অন্যাণ্য জেলায় যেখানের হুহু করে বাড়ছে করোনা রোগেী, সেখানে ঝালকাঠি আছে অনেকটাই সুবিধা সজনক স্থানে। এখানে করোন পরিস্থিতি নাগালের মধ্যে থাকার অধিকাংশ কৃতিত্বই ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন ও তার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের। ঝালকাঠিতে করেনা ভাইরাস জনিত কোভিড-১৯ মহামারি প্রাদুভার্ব ঠেকাতে জীবনের ঝুকি নিয়ে জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলীর নেতৃত্বে কাজ করে যাচ্ছেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের। তাঁরা আইন শৃঙ্খলা বাহীনির সদস্যদের সহযোগীতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করণ, স্বাস্থ্য বিধি বজায় রাখা, মাস্ক পরিধান করে জুরুরী পরিসেবা গ্রহণ ও প্রদান করনে কাজ করে যাচ্ছেন। করোনা আক্রান্ত রোগীদের আইশোলিশন ও বিদেশ থেকে আগতদের হোম কোয়ারেন্টাইন বজায়া রাখার ক্ষেত্রে বাড়ি-বাড়িক গিয়ে মনিটরিং এর কাজ করছেন। পরিবহনেও সামাজিক দুরত্ব বজায় এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে যাত্রী পরিবহনের বিষয়টিও নিশ্চত করছেন। সরকারি নির্ধেশনার মাঠ পর্যায়ে প্রতি পালনে এ জেলায় করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় চায়ের দোকানে আড্ডা, পার্কের আড্ডাসহ সকল ধরণের আড্ডাও জমায়েত বন্ধ করে দেয়ার ক্ষেত্রে কিছু কিছু মহলের বিরাগভাজন হলেও থেমে নেই তরুণ ও মেধাবি একঝাঁক ম্যজিস্ট্রেটদের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা। বর্তমানে জেলা প্রাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবু মুসা, মোহাম্মদ হাসান, এইচ এম ফকরুল হোসেন, উম্মে কুলসুম রুবি, মোঃ তাছবীর হোসেন, মাহমুদা জাহান ও মোঃ সিফাত বিন সাদেক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে। এছাড়াও আদা পিয়াজসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য বাজার মনিটরিং এ এদের পরিচালিত মোবাইল কোর্টের ফলে বাজার স্থিতিশীল নিশ্চিত করার কাজটি করছেন। ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলীর নির্দেশনায় ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ কামাল হোসেন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফুল ইসলামের অনুপ্রেরণায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন।