রিপন দাস, বগুড়া:

বগুড়ার শেরপুরে পৃথক তিন সড়ক দুর্ঘটনায় বাসের চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো দুই জনের মৃত্যু হয়েছে।এ নিয়ে মৃত্যু চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫ জন।

শুক্রবার (২০মার্চ) রাত আড়াইটা থেকে শনিবার (২০ মার্চ) সকাল ৯টার মধ্যে মহাসড়কের দশমাইল এবং ঘোগা এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। শেরপুর ফায়ার সার্ভিসের ষ্টেশন কর্মকর্তা মো. রতন হোসেন জানান, শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে মহাসড়কের শেরপুর উপজেলার দশমাইলে বগুড়াগামী যাত্রীবাহী বাস নাবিল এন্টারপ্রাইজ এবং ঢাকাগামী সৃষ্টি এন্টারপ্রাইজের মধ্যে মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে চালকসহ দুইজনের মৃত্যু হয়। আহত হন ১০ জন। নিহতরা হলেন- বাসচালক রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার কারফিখাল গ্রামের রাজা মিয়ার ছেলে রওশন আলী (৩৫), সুপারভাইজার মো. মাসদু রানা (২৭) । তবে আহতদের মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশংকা জনক।

অপরদিকে, বগুড়ার শনিবার সকাল ৫ টার দিকে মহাসড়কের ছোনকা এলাকায় দুই ট্রাকের মুখোমুখী সংঘর্ষে হলে ৪ জন আহত হয়। ৬ টার দিকে ঘোগা বটতলা একটি মালবাহী ট্রাক উল্টে চালক হেলপারসহ দুইজন আহত হয়। শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বানিয়াউল আনাম জানান, রাতে দুই বাসের মুখোমুখী সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই দুই জন নিহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে বগুড়ায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আর সকালে ছোনকা এলাকায় দুই ট্রাকের সংঘর্ষ হলে যানজট সৃষ্টি হয়।

বর্তমানে রাস্তা যানজট মুক্ত রয়েছে। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দায়িত্বে থাকা এসআই আজিজ মন্ডল জানান, দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হওয়া আহতের মধ্যে আরো দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। নিলফামারীর ডিমলার পশ্চিম ছাতনাই গ্রামের মৃত রহিমউদ্দিনের ছেলে বাবুল (৫০) ও একই এলাকার মো: রেজাউল ইসলাম।